অরুণ ভট্টাচার্য, নিজের সবটুকু দিয়ে একমাত্র ছেলেকে বড় করেছিলেন। তারুণ্যে কত স্বপ্নই তো দেখেছিলেন; একটা সংসার হবে, সন্তান থাকবে। সন্তানরা বড় হবে, তাদের সন্তান হবে। কর্মমুখর জীবনের দায়িত্ব নতুন প্রজন্ম হাতে নিবে। শেষ সময়টুকু কাটবে নিজের পরিবারের সাথে। কিন্তু তা হলো কোথায়? একমাত্র ছেলের স্ত্রীর নির্যাতনে আঙ্গুল ভেঙে আশ্রয় নিয়েছেন বৃদ্ধাশ্রমে।[১]
৮৬ বছর বয়সী হুজলা বেগম স্বামী হারিয়েছেন প্রায় ৩০ বছর আগে। তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মা হওয়া সত্ত্বেও তার ভরণপোষণের দায়িত্ব কেউ নেয়নি। পুত্র ও পুত্রবধূ মিলে বাঁশবাগানের ভেতর ফেলে রাখে তাকে। অবশেষে সমাধান হয় প্রশাসনের মাধ্যমে।[২]
আগারগাঁও-এর ‘প্রবীণ নিবাস’ বৃদ্ধাশ্রমের আব্দুর রহিম সাহেব ঢাকার বনানীতে নিজের নামে জমি কিনে বাড়ি করেন। এছাড়াও শহরের নামীদামি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন ছেলেমেয়েদের। সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ইতালি প্রবাসী এক বাংলাদেশি ছেলের সঙ্গে। ছেলেও সরকারি অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়েছেন। উচ্চবংশ দেখে বিয়ে দিয়েছিলেন ছেলেকে। গেল দু’বছর আগে আব্দুর রহিম সাহেবের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই তাকে এ বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে হয়। অনেক অনুরোধ করার পরও বলছিলেন না কেন তিনি এখানে থাকেন। অবশেষে বললেন, বনানীর বাড়িটা ছেলে ও ছেলের বউ জোর করে লিখে নিয়েছে। তিনতলা বাড়ির এক তলায় তিনি থাকতেন আর বাকি দু’তলা ভাড়া দিতেন। তিনি থাকলে তো তারা এত টাকা ভাড়া পাবে না। তাই তাকে এখানে রেখে গেছে।[৩]
জানো কী? ছেলেমেয়েদের সম্মানের কথা চিন্তা করে নামটাও প্রকাশ করেননি আব্দুর রহিম সাহেব, আমরা যে নামটি পড়ছি এটি ছদ্মনাম। যে সন্তানেরা বাবা-মাকে বাবা-মায়ের সম্পদের জন্যই ফেলে চলে গেল, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাবা তাদেরই সম্মানের জন্য ভাবল!
এই সংবাদগুলো পড়ে তোমার কেমন লাগছে? নিজের মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করছে? কষ্ট হচ্ছে না খুব? কখনো ভেবে দেখেছ কেন এমন লাগে তোমার?
কেমন লাগবে যদি শোনো বাবা-মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসাই হলো সংস্কৃতি? আজকে আমরা কথা বলব তথাকথিত ‘উন্নত’ সভ্যতার হাজারো ব্যর্থতার মাঝে একটি নিয়ে; যেখানে অর্থ, কর্মক্ষমতা ও পুঁজিবাদের কাছে হেরে যায় মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধ।
পশ্চিমা বিশ্বে সন্তানের বয়স ১৮ হলেই তারা স্বতন্ত্র জীবনযাপন শুরু করে। বাবা-মায়ের সাথে শুরু হয় সংগ্রাম। সুদীর্ঘ কর্মজীবন শেষে যখন অবসরের সময়, তখন বাবা-মার স্থান হয় বৃদ্ধাশ্রমে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অর্থ যে এনে দিতে পারে না, তাকে দেখা হয় ব্যর্থ হিসেবে। তার কোনো প্রয়োজন সমাজে থাকে না। ফলে নতুন প্রজন্ম বয়স্ক মানুষকে দেখে বোঝা হিসেবে। বয়স্ক মানুষের প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলে তারা। ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশনের তথ্য অনুযায়ী, বয়স হওয়া বা ‘এজিং’ কে নেতিবাচকভাবে দেখা হয় পশ্চিমে। এমনি ২১ এর পরে অনেক জায়গায় জন্মদিনকে সহানুভূতি দেখিয়ে পালন করা হয়![৪]
একটি মাত্র আইডিয়া বা ধারণা এর পেছনে কাজ করছে তা নয়, পশ্চিমের কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে ৩টি মূল বৈশিষ্ট্যের উপর। (১) ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ (Individualism)[৫], (২) সংশয়বাদ (Skepticism)[৬] এবং (৩) যুক্তি (Reason)। বেশিরভাগ সমাজকাঠামোতে সমাজের এক স্তর আরেক স্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে; রাজা প্রজাকে, বাবা-মা সন্তানকে, জমির মালিক কৃষককে, আড়ৎদার পাইকারি বিক্রেতাকে। একে বলে Social Hierarchy বা সামাজিক পদবিন্যাস। বিপরীতে প্রত্যেকে একে-অপরের প্রতি দায়িত্বশীল থাকে। প্রজার রাজার প্রতি, সন্তানের বাবা-মার প্রতি, স্ত্রীর স্বামীর প্রতি এবং স্বামীর স্ত্রীর প্রতি, কৃষকের মালিকের প্রতি এবং মালিকের কৃষকের প্রতি। কিন্তু ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ এই ধারণাকে নাকচ করে দেয়। এখানে সবাই সমান, কেউ কাউকে নিয়ন্ত্রণ করে না; স্বাধীনতা এবং সমতা সবার জন্মগত অধিকার।[৭]
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যেটি এখন সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি হলো পুঁজিবাদ। আলোকায়নের (Enlightenment) সময় থেকে অর্থনৈতিক দর্শন পরিণত হয়েছে জীবনদর্শনে। এখানে ধরে নেওয়া হয়:
(১) মানুষ স্বভাবগত ভাবেই স্বার্থপর[৮]
(২) জীবনের উদ্দেশ্য হলো সর্বাধিক সুখ অর্জন এবং সর্বনিম্ন কষ্ট সহ্য করা[৯]
(৩) রাষ্ট্রের কাজ হলো সর্বাধিক মানুষের জন্য সর্বাধিক ভোগ নিশ্চিত করা[১০]
(৪) কারও ক্ষতি না হলে যেকোনো কাজ বৈধ[১১]
(৫) কারও সম্মতি থাকলে কাজ বৈধ, সম্মতি না থাকলে অবৈধ[১২]
এই পাঁচটি পয়েন্টের দিকে একটু লক্ষ্য করলেই আমরা দেখব পশ্চিমা সভ্যতা ধরেই নিচ্ছে মানুষের স্বার্থপর হওয়াটাই স্বাভাবিক। জীবনের উদ্দেশ্য সুখ অর্জন, এখানে কারও প্রতি দায়িত্বশীলতা সুখ অর্জনে বাধা সৃষ্টি করলে সেটিকে অন্যভাবে সমাধান করতে হবে। বাবা-মা বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে আমাদের উপর নির্ভরশীল থাকেন। আমাদের অনেক সময়ও ব্যয় করতে হবে তাদের পেছনে। এটি আমার সর্বোচ্চ সুখ অর্জনের পথে বাধা। এটি আমার দায়িত্ব নয়, আমার বাবা-মাকে দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব (পয়েন্ট ৩)। যদি বাবা-মা বৃদ্ধাশ্রমেও যায়, তাতে কারও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। যখন এসবই আইন, তখন বৃদ্ধ মানুষ কি আর সায় না দিয়ে পারবে?
দ্যা অস্ট্রেলিয়ান-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪০% বয়স্ক মানুষ নার্সিং হোমে (বৃদ্ধাশ্রম) অপুষ্টির শিকার। তন্মধ্যে ৬% গুরুতর অপুষ্টির শিকার।[১৩]
অস্ট্রিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রের বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মানুষের উপর পরিচালিত DEMDATA প্রকল্পের এক গবেষণায় দেখা গেছে:
• অস্ট্রিয়ার বৃদ্ধাশ্রমের ৮৫.২% বাসিন্দা এবং
• চেক প্রজাতন্ত্রের বৃদ্ধাশ্রমের ৫৩% বাসিন্দার মানসিক অক্ষমতা রয়েছে।
তাছাড়া, ৪৪.৮% (অস্ট্রিয়া) এবং ৫১.৫% (চেক প্রজাতন্ত্র) বাসিন্দা মৃদু থেকে গুরুতর অসুস্থতার শিকার।[১৪]
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য অনুযায়ী, ৬০ বছরের উপরে থাকা প্রায় ১৫% বয়স্ক ব্যক্তি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে ডিপ্রেশন।[১৫] ইউরোপিয়ান সোশ্যাল সার্ভে’র মতে, যে সকল প্রবীণ পরিবার বা অন্যদের সাথে বসবাস করেন তাদের তুলনায় বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রবীণদের দৈনন্দিন কাজে শারীরিক অক্ষমতা বেশি।[১৬]
ইসলামে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (ﷺ) সম্মান সবচেয়ে বেশি। এর পর সবচেয়ে বেশি সম্মানের দাবিদার বাবা-মা। বৃদ্ধ পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব আল্লাহ ফরজ করেছেন। আল্লাহ বলেন,
‘আপনার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া আর কারও ইবাদত না করতে এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণ করতে। তাদের মধ্যে একজন অথবা তারা দুজনই বৃদ্ধ হয়ে গেলে তাদের “উফ” (বিরক্তিসূচক কোনো শব্দ) পর্যন্ত তোমরা বলবে না, তাদের ধমক দেবে না, তাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলো।’ (সূরা বানী ইসরাইল : ২৩)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন,
‘আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে অসীম কষ্ট সহ্য করে গর্ভে ধারণ করে, আর তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। কাজেই তোমরা আমার প্রতি এবং তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও।’ (সূরা লুকমান : ১৪)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
‘সে ধ্বংস হোক, সে ধ্বংস হোক, সে ধ্বংস হোক।’ জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘কে ধ্বংস হবে হে আল্লাহর রাসূল?’ তিনি বললেন, ‘যে ব্যক্তি তার মাতা-পিতার দু’জনকে অথবা একজনকে বৃদ্ধ অবস্থায় পেল, কিন্তু তাদের সেবা করে জান্নাতে যেতে পারল না।’ (সহীহ মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেন,
‘পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাদের অসন্তুষ্টির মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি নিহিত।’ (তিরমিযি)
পশ্চিমাদের সমতার ধারণা আমাদের সংস্কৃতি নয়, আমাদের দ্বীনের ইতিহাস বরাবরই ন্যায়ের। ইসলাম বিশ্বাস করে ইনসাফে। ইসলামে জীবনের উদ্দেশ্য নির্বিচার ভোগ নয়, সামষ্টিক উন্নতি। অর্থকড়ি তার একটি উপাদান মাত্র। সন্তান জন্মের পর বাবা-মা যেভাবে ভালোবাসেন, নিজের জীবনের সবটুকু ঢেলে বড় করে তোলেন শিশুকে; বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের কাছ থেকে বাবা-মার তেমনই আচরণ প্রাপ্য। এবং ইসলাম তা নিশ্চিত করে। মানুষের জীবনের শেষ সময়টুকুও ইসলামের ‘সিস্টেম’-এ নিরাপদ—একটি সুন্দর পরিবার, সন্তান-সন্ততি, নাতি-নাতনিদের নিয়ে সুন্দর কিছু মুহূর্তের সমষ্টি।
রেফারেন্স:
[১] সিটিজিবার্তা ডটকম. ৬ মে, ২০১৯.
[২] নয়াদিগন্ত. ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮.
[৩] একুশে টেলিভিশন. ২২ জানুয়ারি, ২০১৮.
[৪] Online Psychology Degree Guide. (2023, February 21). 5 ways Western society deals with aging that other cultures do not. https://tinyurl.com/yc2sjh5u
[৫] ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ একটি নৈতিক আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন। এখানে ব্যক্তির স্বাধীনতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ধর্ম ও সমাজের প্রচলিত নিয়মের উপরে ব্যক্তির ইচ্ছা ও মতামতকে স্থান দেওয়া হয়।
[৬] সংশয়বাদ একটি দার্শনিক মতবাদ। সংশয়বাদ বলতে বোঝায় বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত প্রমাণ ছাড়া কোনো কিছু বিশ্বাস করতে অনিচ্ছা। সংশয়বাদীরা এই অবস্থান থেকে ধর্ম ও সমাজের রীতিনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
[৭] ডা. শামসুল আরেফীন (২০২২), অবাধ্যতার ইতিহাস, সমকালীন প্রকাশন.
[৮] ইংরেজ দার্শনিক থমাস হবস (Thomas Hobbes) তার ১৬৫১ সালে প্রকাশিত লেভায়াথান (Leviathan) বইয়ে বলেন যে, মানুষ স্বভাবগতভাবে খারাপ ও স্বার্থপর। আর এই খারাপ মানুষের সমাজকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সামাজিক চুক্তি ও আইনের ব্যপারে তিনি নিজের ধারণাও পেশ করেন এই বইয়ে।
[৯] এনলাইটেনমেন্ট যুগের ইংরেজ দার্শনিক ও চিন্তক জন লকের (John Locke) প্রস্তাবিত নৈতিক কাঠামো একটি সুখবাদী (Hedonistic) নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত, যেখানে মানুষের কাজকর্ম ও চিন্তার পেছনের প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে সুখ ও কষ্টকে বিবেচনা করা হয়। তার মতে, ভালো-মন্দের মূল ভিত্তি হলো সুখ বা কষ্টের অভিজ্ঞতা।
[১০] উপযোগবাদের (Utilitarianism) নৈতিকতা অনুযায়ী কোনো কাজ ঠিক না ভুল তা নির্ভর করে তার ফলাফলের উপর, বিশেষ করে কাজটি কতজন মানুষের সুখ বা আনন্দ বৃদ্ধি করতে এবং দুঃখ-কষ্ট কমাতে সক্ষম তার ভিত্তিতে। উপযোগবাদের মূল লক্ষ্য সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের জন্য সর্বোচ্চ সুখ নিশ্চিত করা। ইংরেজ দার্শনিক ও আইন সংস্কারক জেরেমি বেন্থামকে (Jeremy Bentham) আধুনিক উপযোগবাদের জনক বলা হয়।
[১১] ইংরেজ দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিলের (John Stuart Mill) প্রস্তাবিত অপকার নীতি (Harm Principle) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি যা খুশি তা করতে পারবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার কর্মকাণ্ড অন্য কারও ক্ষতি করে। তবে যদি তার কাজ অন্যদের ক্ষতি করে, তাহলে সমাজ ও রাষ্ট্র তা প্রতিরোধ করতে ঐ ব্যক্তির স্বাধীনতা হরণের অধিকার রাখে।
[১২] আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার একটি আইনগত ও নৈতিক ভিত্তি হলো সম্মতি (Consent)। উভয়ের সম্মতিতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একে অপরের সাথে যা ইচ্ছা করতে পারবে। সেই সম্মতি বৈধ হওয়ার জন্য তা স্বেচ্ছায় ও মৌখিকভাবে দিতে হবে। কোনো ব্যক্তি চাইলে কাজ সংগঠিত হওয়ার পর যেকোনো সময় সম্মতি প্রত্যহার করতে পারে এবং অপর ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কাছে অভিযোগ জানাতে পারে।
[১৩] The Australian, Four in 10 at nursing homes malnourished. https://tinyurl.com/yc7367nv
[১৪] Auer, S.R., Höfler, M., Linsmayer, E. et al. Cross-sectional study of prevalence of dementia, behavioural symptoms, mobility, pain and other health parameters in nursing homes in Austria and the Czech Republic: results from the DEMDATA project. BMC Geriatr 18, 178 (2018). https://doi.org/10.1186/s12877-018-0870-8
[১৫] Robertson, A. S. F. (2023b, October 8). Older people living in care homes in 2021 and changes since 2011 - Office for National Statistics. https://tinyurl.com/2ft59rnz
[১৬] Honinx, E., Van den Block, L., Piers, R. et al. Large differences in the organization of palliative care in nursing homes in six European countries: findings from the PACE cross-sectional study. BMC Palliat Care 20, 131 (2021). https://doi.org/10.1186/s12904-021-00827-x